টপ ডাউন পদ্দতিতে কোন জিনিসকে নির্দিষ্ট আকার দেওয়া হয় এর সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি কোনটি?
 

Updated: 1 year ago
  • ক
    বায়োমেট্রিক্স
  • খ
    বায়োইনফরমেটিক্স
  • গ
    জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ঘ
    ন্যানোটেকনোলজি
2.4k
ব্যাখ্যাঃ

টপ-ডাউন পদ্ধতি (Top-down method) হলো ন্যানোটেকনোলজির একটি প্রক্রিয়া যেখানে বড় আকারের বস্তু বা উপাদান থেকে শুরু করে সেগুলোকে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে ন্যানো-স্কেলের কাঠামো তৈরি করা হয়। অর্থাৎ, একটি বড় বস্তুকে কেটে, ঘষে, বা কোনো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট আকার দিয়ে ছোট করা হয় যতক্ষণ না এটি ন্যানো-স্কেলে (১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার) পৌঁছায়। এই পদ্ধতিটি চিপ তৈরির মতো শিল্পে ব্যবহৃত হয় যেখানে বড় সিলিকন ওয়েফার থেকে ক্ষুদ্র সার্কিট তৈরি করা হয়।

অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো:

        
  • বায়োমেট্রিক্স: এটি জীবন্ত প্রাণীর শারীরিক (যেমন - আঙুলের ছাপ, মুখমণ্ডল) বা আচরণগত (যেমন - কণ্ঠস্বর, হাঁটার ধরণ) বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে ব্যক্তিকে শনাক্ত বা যাচাই করার একটি প্রযুক্তি। এর সাথে কোনো বস্তুকে নির্দিষ্ট আকার দেওয়ার সম্পর্ক নেই।
  •     
  • বায়োইনফরমেটিক্স: এটি জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, তথ্য প্রকৌশল, গণিত এবং পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তঃবিষয়ক ক্ষেত্র। এটি মূলত জৈব তথ্য (যেমন - ডিএনএ, আরএনএ, প্রোটিনের সিকোয়েন্স) বিশ্লেষণ, সংরক্ষণ ও ব্যাখ্যা করতে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এরও বস্তু আকার দেওয়ার সাথে সম্পর্ক নেই।
  •     
  • জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং: এটি জৈবপ্রযুক্তির একটি শাখা যেখানে একটি জীবের জিনগত উপাদান পরিবর্তন করা হয়, সাধারণত একটি জিনের এক বা একাধিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন বা যোগ করার মাধ্যমে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো জীবের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করা, কোনো ভৌত বস্তুকে আকার দেওয়া নয়।

সুতরাং, 'টপ ডাউন' পদ্ধতির মাধ্যমে কোনো জিনিসকে নির্দিষ্ট আকার দেওয়ার সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি হলো ন্যানোটেকনোলজি।

Satt AI
Satt AI
2 months ago

109 মিটারকে ন্যানোমিটার বলে এবং বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে 1 থেকে 100 ন্যানোমিটার আকৃতির কোনো কিছু তৈরি করা এবং ব্যবহার করাকে ন্যানোটেকনোলজি বলে। এই আকৃতির কোনো কিছু তৈরি করা হলে তাকে সাধারণভাবে ন্যানো-পার্টিকেল বলে। ক্ষুদ্র আকৃতির জন্য ন্যানো পার্টিকেলের পৃষ্ঠদেশের পরিমাণ তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি; সেজন্য রাসায়নিকভাবে অনেক বেশি ক্রিয়াশীল হয়ে থাকে। শুধু তাই নয়, একটি দ্রব্যের বড় আকৃতিতে যে ধর্ম বা গুণাগুণ থাকে, ন্যানো পার্টিকেল হলে তার ভেতর কোয়ান্টাম পদার্থ বিজ্ঞানের প্রভাব দেখা যেতে শুরু করে বলে সেই ধৰ্ম বা গুণাগুন পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। উদাহরণ দেওয়ার জন্য বলা যায় অনেক ধাতুর কাঠিন্য ন্যানো আকৃতিতে সাধারণ অবস্থা থেকে সাতগুণ বেশি হতে পারে। এই কারণে এই ন্যানো-পার্টিকেল নিয়ে বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে কৌতুহলী।

রসায়নবিদেরা অনেকদিন থেকে ন্যানো ব্যাসার্ধের পলিমার তৈরি করে আসছেন এবং ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের চিপস তৈরি করার সময় প্রযুক্তিবিদেরা সেখানে ন্যানো আকৃতির ডিজাইন করে আসছেন, কিন্তু শুধু সাম্প্রতিক সময়ে ন্যানো পার্টিকেল তৈরি এবং ব্যবহার করার জন্য প্রয়োজনীয় টুল তৈরি হয়েছে এবং ন্যানো পার্টিকেলের জগৎ সত্যিকার অর্থে উন্মুক্ত হয়েছে।

 

এ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে বৃহৎ স্কেলে পণ্যোৎপাদন সম্ভব হচ্ছে এবং উৎপাদিত পণ্য আকারে সুক্ষ্ম ও ছোট হলেও অত্যন্ত মজবুত, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, টেকসই ও হালকা হয়। “আগামী বিশ্ব হবে ন্যানোটেকনোলজির বিশ্ব, — এই প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে স্মার্ট ওষুধের মাধ্যমে প্রাণঘাতী ক্যান্সার ইত্যাদি দুরারোগ্য ব্যাধি হতে মুক্তি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ন্যানো রোবট, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিশ্বব্যাপী বৃহৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কার্যকরী ও সপ্তার শক্তি উৎপাদনসহ পানি ও বায়ুদূষণ কষানো সম্ভব হৰে মৰ্মে গবেষকগণ আমাদের আশার বাণী শুনিয়েছেন। ন্যানো প্রযুক্তি দুটি পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয় :

(ক) ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom Up) : এই পদ্ধতিতে ক্ষুদ্রাতিক্ষুর আনবিক উপাদান থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা হয়।

(খ) বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top Down) : এই পদ্ধতিতে একটু বড় আকৃতির কিছু থেকে শুরু করে তাকে ভেঙে ছোট করতে করতে কোনো বস্তুকে ক্ষুদ্রাকৃতির আকৃতিতে পরিণত করা হয়।

ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার

১. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারে ব্যবহার : প্রসেসরের উচ্চ গতি, দীর্ঘস্থায়িত্ব, কম শক্তি খরচ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যে

ব্যবহার্য। একই সঙ্গে ডিসপ্লে ও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির উন্নয়নে সহায়তা করে। ২. চিকিৎসা ক্ষেত্রে : ন্যানো-রোবট ব্যবহার করে অপারেশন করা, যেমন- এনজিওপ্লাস্টি সরাসরি রোগাক্রান্ত সেনে চিকিৎসা প্রদান করা, যেমন— ন্যানো ক্রায়োসার্জারি, ডায়াগনোসিস করা, যেমন-

এন্ডোসকপি, এনজিওগ্রাম, কলোনোস্কোপি ইত্যাদি।

৩. বাদ্যশিল্পে : খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেটিং, খাদ্যে স্বাদ তৈরিতে, খাদ্যের গুণাগুণ রক্ষার্থে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের দ্রব্যাদি তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। ৪. গানি ক্ষেত্রে জ্বালানি উৎসের বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফুয়েল তৈরির কাজে, যেমন-

হাইড্রোজেন আয়ন থেকে ফুয়েল, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সৌরকোষ তৈরির কাজে। e. যোগাযোগ ক্ষেত্রে : হালকা ওজনের ও কম জ্বালানি চাহিদাসম্পন্ন পাড়ি প্রস্তুতকরণে।

৬. খেলাধুলার সামগ্রী তৈরিতে : বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী যেমন— ক্রিকেট, টেনিস বলের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য, ফুটবল বা গলফ বলের বাতাসের ভারসাম্য রক্ষার্থে।

৭. বায়ু ও পানি দূষণ রোধে : শিল্প কারখানার ক্ষতিকর রাসায়নিক বর্জ্যকে ন্যানো পার্টিকেল ব্যবহার করে অক্ষতিকর বস্তুতে রূপান্তর করে পানিতে নিষ্কাশিত করা; যেমন— ট্যানারি শিল্পের বর্জ্যকে এই প্রযুক্তির সাহায্যে দূষণমুক্ত করে নদীর পানির দূষণ প্রতিরোধে সহায়তা করে। তেমনিভাবে গাড়ি ও শিল্পকারখানার নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া ন্যানো পার্টিকেলের সহায়তায় দূষণমুক্ত গ্যাসে পরিণত করে বায়ু দুষণ রোধ করা যায়।

৮. প্রসাধন শিল্পে : প্রসাধনীতে জিংক অক্সাইড-এর ন্যানো পার্টিকেল যুক্ত হওয়ায় ত্বকের ক্যান্সাররোধ সম্ভব

হয়েছে। সেই সাথে সানস্ক্রিন ও ময়েশ্চারাইজার তৈরির কাজে ব্যবহার্য রাসায়নিক পদার্থ তৈরির ক্ষেত্রে এবং

এন্টি-এজিং ক্রিম তৈরিতেও ন্যানো-টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।

তবে উল্লেখ্য যে ন্যানো পার্টিকেলের ব্যবহারে নানাবিধ সুবিধা থাকলেও অন্যদিকে ন্যানো পার্টিকেল দিয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্র তৈরি, প্রচলিত জ্বালানী গ্যাস-তৈল ইত্যাদির বিকল্প হিসেবে এর অপব্যবহার, অভিজাত শ্রেণির উদ্ভবের দরুন ধনী ও নির্ধনের পার্থক্য চরম মাত্রায় বৃদ্ধি, কালোবাজারী এবং সর্বোপরি মানব শরীরের কোষের গঠনশৈলী পরিবর্তনসহ কোষ মেরে ফেলার মতো ক্ষতিকারক প্রযুক্তি হিসেবে ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার এখনো প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থান হতে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়নি।

Related Question

View All
  • ক
    জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  • খ
    নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং
  • গ
    বায়োইনফরমেটিক্স
  • ঘ
    ন্যানোটেকনোলজি
54
  • ক
    AI
  • খ
    ন্যানোটেক
  • গ
    বায়োমেট্রিক্স
  • ঘ
    বায়োইনফরমেটিক্স
53
  • ক
    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  • খ
    রোবোটিক্স
  • গ
    ন্যানোটেকনোলজি
  • ঘ
    বায়োইনফরমেটিক্স
822
  • ক
    ক্রায়োসার্জারি
  • খ
    ন্যানোটেকনোলজি
  • গ
    রোবটিক্স
  • ঘ
    বায়োমেট্রিক্স
563
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই